বলিভিয়া
ফ্রান্স
বলিভিয়ার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বলিভিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · bo.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বলিভিয়ায় ফ্রান্সের মিশন
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, লা পাজ
Avenida Hernando Siles n° 5390, Esquina calle 8, Obrajes, La Paz
বলিভিয়ায় ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস লা পাজে।
ফ্রান্স: বলিভিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৭০ | ১৬১ | ২ | ১.২% | ২৮.৬% |
| ২০২৪ | ১৬০ | ১৫৬ | ৩ | ১.৯% | ৩২.১% |
| ২০২৫ | ১৪২ | ১৪৩ | ০ | ০.০% | ৪২.০% |
২০২৫ সালে বলিভিয়ায় ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লা পাজ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৪২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৪৩টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ০.০%। ২০২৪ সালের ১.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১.৯ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১% কমেছে (২০২৪ সালে ১৬০টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বলিভিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৪৩.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ১২.৭% থেকে স্পেনের কনস্যুলেটে ৪৬.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বলিভিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বলিভিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের বলিভিয়া ভ্রমণ
ফ্রান্স
বলিভিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য বলিভিয়ার ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বলিভিয়া থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
বলিভিয়ার নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে বলিভিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বলিভিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বলিভিয়ায় আবেদন করা যায় লা পাজে ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় বলিভিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
বলিভিয়ার নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে বলিভিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের বলিভিয়া ভ্রমণ
বলিভিয়ায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে বলিভিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বলিভিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
বলিভিয়ায় ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস লা পাজে।
বলিভিয়ায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বলিভিয়ায় যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।
বলিভিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। বলিভিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।