বেনিন
ফ্রান্স
বেনিনের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্স ভ্রমণে বেনিনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ২টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · bj.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বেনিনে ফ্রান্সের মিশন
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, কোতোনু
Avenue Pape Jean-Paul II, BP 966 Cotonou
-
বেনিনে ফ্রান্সের ২টি মিশন আছে; দূতাবাস কোতোনুতে। কনস্যুলেট: কোতোনু।
ফ্রান্স: বেনিনে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১৪,৪৫১ | ১০,০০১ | ৪,০৮৯ | ২৯.০% | ২৩.১% |
| ২০২৪ | ১৩,৮০১ | ১০,৩২২ | ৩,৪১২ | ২৪.৮% | ৩১.৭% |
| ২০২৫ | ১৩,৯০৫ | ৯,৯৮৩ | ৩,৯৪৩ | ২৮.৩% | ৩৭.৩% |
২০২৫ সালে বেনিনে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কোতোনু) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৩,৯০৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৯,৯৮৩টি ভিসা দিয়েছে। ২৮.৩% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ২৪.৮%, অর্থাৎ এটি ৩.৫ পয়েন্ট বেড়েছে। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১৩,৮০১টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বেনিনে জমা পড়া আবেদনের ৩০.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বেনিনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বেনিনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের বেনিন ভ্রমণ
ফ্রান্স
বেনিন ই-ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য বেনিনের ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ফ্রান্সে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন বেনিনের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
বেনিনের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে বেনিনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বেনিনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বেনিনে আবেদন করা যায় কোতোনুতে ফ্রান্সের দূতাবাসে অথবা কোতোনু শহরের কনস্যুলেটে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় বেনিনের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
বেনিনের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে বেনিনের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের বেনিন ভ্রমণ
ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য বেনিনের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে বেনিনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্স ভ্রমণে বেনিনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বেনিনে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস কোতোনুতে, আর কোতোনু শহরে কনস্যুলেটও আছে।
বেনিনে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য বেনিনের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
বেনিনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। বেনিনের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।