বেলারুশহাঙ্গেরি

বেলারুশের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

বেলারুশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · minszk.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

বেলারুশে হাঙ্গেরির মিশন

বেলারুশে হাঙ্গেরির একটি মিশন আছে; দূতাবাস মিনস্কে।

হাঙ্গেরি: বেলারুশে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১৪,৬১১১৪,৩৯২২১৯১.৫% ৭৩.১%
২০২৪ ১৪,২৮৪১৩,৯৫৩৩৩১২.৩% ৫৭.৫%
২০২৫ ১৪,৩৪২১৪,১১৩১৭৮১.২% ৬২.১%

২০২৫ সালে বেলারুশে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (মিনস্ক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৪,৩৪২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৪,১১৩টি ভিসা দিয়েছে। ১.২% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ২.৩%। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১৪,২৮৪টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বেলারুশে জমা পড়া আবেদনের ২.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ০.৪% থেকে লিথুয়ানিয়ার কনস্যুলেটে ১১.২% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বেলারুশে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বেলারুশে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের বেলারুশ ভ্রমণ

হাঙ্গেরিবেলারুশ ভিসা লাগে না, ৩০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য বেলারুশের ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

হাঙ্গেরিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন বেলারুশের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

বেলারুশের নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

হাঙ্গেরিতে বেলারুশের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

বেলারুশের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

বেলারুশে আবেদন করা যায় মিনস্কে হাঙ্গেরির দূতাবাসে, অথবা হাঙ্গেরির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

হাঙ্গেরির দেওয়া শেনজেন ভিসায় বেলারুশের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; হাঙ্গেরি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন হাঙ্গেরির কাছেই করতে হয়।

বেলারুশের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

ইউক্রেন ও সার্বিয়া যেতে বেলারুশের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও অস্ট্রিয়া যেতে বেলারুশের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের বেলারুশ ভ্রমণ

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য হাঙ্গেরির নাগরিকদের বেলারুশের ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে বেলারুশের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

বেলারুশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

বেলারুশে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

হাঙ্গেরির দূতাবাস মিনস্কে।

বেলারুশে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য হাঙ্গেরির নাগরিকদের বেলারুশের ভিসা লাগে না।

বেলারুশের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

না। বেলারুশের নাগরিকদের আগে থেকে হাঙ্গেরির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।