বেলারুশ
এস্তোনিয়া
বেলারুশের নাগরিকদের জন্য এস্তোনিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
এস্তোনিয়া ভ্রমণে বেলারুশের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · minsk.mfa.ee-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বেলারুশে এস্তোনিয়ার মিশন
- এস্তোনিয়ার দূতাবাস, মিনস্ক
вуліца Платонава 1Б, 220034 Мінск
বেলারুশে এস্তোনিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস মিনস্কে।
এস্তোনিয়া: বেলারুশে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১,৬৩১ | ১,৪৭৩ | ১৪৩ | ৮.৮% | ৯৩.৫% |
| ২০২৪ | ৬৬৪ | ৫৯৯ | ৬৫ | ৯.৮% | ৯৬.৭% |
| ২০২৫ | ২ | ২ | ০ | – | – |
২০২৫ সালে বেলারুশে এস্তোনিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (মিনস্ক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২টি আবেদন পেয়েছে এবং ২টি ভিসা দিয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১০০% কমেছে (২০২৪ সালে ৬৬৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বেলারুশে জমা পড়া আবেদনের ২.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ০.৪% থেকে লিথুয়ানিয়ার কনস্যুলেটে ১১.২% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে এস্তোনিয়ার কনস্যুলেটগুলো ২৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বেলারুশে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে এস্তোনিয়া ১২তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বেলারুশে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
এস্তোনিয়ার নাগরিকদের বেলারুশ ভ্রমণ
এস্তোনিয়া
বেলারুশ ভিসা লাগে না, ৩০ দিন এস্তোনিয়ার নাগরিকদের জন্য বেলারুশের ভিসা
এস্তোনিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বেলারুশ থেকে এস্তোনিয়ায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এস্তোনিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩০ মার্চ, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) এস্তোনিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এস্তোনিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
বেলারুশের নাগরিকরা এস্তোনিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
এস্তোনিয়ায় বেলারুশের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বেলারুশের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বেলারুশে আবেদন করা যায় মিনস্কে এস্তোনিয়ার দূতাবাসে, অথবা এস্তোনিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে এস্তোনিয়া।
এস্তোনিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
এস্তোনিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় বেলারুশের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; এস্তোনিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন এস্তোনিয়ার কাছেই করতে হয়।
বেলারুশের নাগরিকদের জন্য এস্তোনিয়ার প্রতিবেশী দেশ
রাশিয়া যেতে বেলারুশের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। লাটভিয়া যেতে বেলারুশের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
এস্তোনিয়ার নাগরিকদের বেলারুশ ভ্রমণ
বেলারুশে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এস্তোনিয়ায় যেতে বেলারুশের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
এস্তোনিয়া ভ্রমণে বেলারুশের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বেলারুশে এস্তোনিয়ার দূতাবাস কোথায়?
এস্তোনিয়ার দূতাবাস মিনস্কে।
বেলারুশে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বেলারুশে যেতে এস্তোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।
বেলারুশের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া এস্তোনিয়ায় যেতে পারেন?
না। বেলারুশের নাগরিকদের আগে থেকে এস্তোনিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।