বাংলাদেশ
সুইডেন
বাংলাদেশিদের জন্য সুইডেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
সুইডেন ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · swedenabroad.se-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বাংলাদেশে সুইডেনের মিশন
- সুইডেনের দূতাবাস, ঢাকা
মাদানী এভিনিউ 2, 1212 Dhaka
বাংলাদেশে সুইডেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ঢাকায়।
সুইডেন: বাংলাদেশে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ১১,৪১৬ | ৬,৩৬৩ | ৪,৭৯৩ | ৪২.৯% | ১৪.৯% |
| ২০২৪ | ১৭,৯১৭ | ৫,৫৮৮ | ১১,৬৩৯ | ৬৭.৫% | ১৫.৭% |
| ২০২৫ | ১৩,৪৬২ | ৩,৪৮২ | ১০,১৭৩ | ৭৪.৫% | ১৮.৩% |
২০২৫ সালে বাংলাদেশে সুইডেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ঢাকা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৩,৪৬২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৪৮২টি ভিসা দিয়েছে। ৭৪.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৬৭.৫%, অর্থাৎ এটি ৭.০ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৫% কমেছে (২০২৪ সালে ১৭,৯১৭টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বাংলাদেশে জমা পড়া আবেদনের ৫৪.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে সুইডেনের কনস্যুলেটগুলো ২৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে সুইডেন সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
সুইডেনের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ
সুইডেন
বাংলাদেশ অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুইডেনের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা
সুইডেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বাংলাদেশ থেকে সুইডেনে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর সুইডেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সুইডেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সুইডেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
বাংলাদেশি নাগরিকরা সুইডেনে কত দিন থাকতে পারেন
সুইডেনে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বাংলাদেশি নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বাংলাদেশে আবেদন করা যায় ঢাকায় সুইডেনের দূতাবাসে, অথবা সুইডেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে সুইডেন।
সুইডেন ও শেনজেন অঞ্চল
সুইডেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় বাংলাদেশি নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; সুইডেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন সুইডেনের কাছেই করতে হয়।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সুইডেনের প্রতিবেশী দেশ
নরওয়ে ও ফিনল্যান্ড যেতে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
সুইডেনের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ
সুইডেনের নাগরিকরা বাংলাদেশে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সুইডেনে যেতে বাংলাদেশিদের কি ভিসা লাগে?
সুইডেন ভ্রমণে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশে সুইডেনের দূতাবাস কোথায়?
সুইডেনের দূতাবাস ঢাকায়।
বাংলাদেশে যেতে সুইডেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সুইডেনের নাগরিকরা বাংলাদেশে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
বাংলাদেশি নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সুইডেনে যেতে পারেন?
না। বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে সুইডেনের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।