বাংলাদেশ
স্পেন
বাংলাদেশিদের জন্য স্পেনের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · exteriores.gob.es-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বাংলাদেশে স্পেনের মিশন
- স্পেনের দূতাবাস, ঢাকা
Road 90 49, 1212 Dhaka
বাংলাদেশে স্পেনের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ঢাকায়।
স্পেন: বাংলাদেশে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ২,১৬৭ | ১,৩৩৮ | ৬২৯ | ৩২.০% | ৯.৭% |
| ২০২৪ | ৩,০৮৪ | ১,৮৬৮ | ৮২৫ | ৩০.৬% | ১০.২% |
| ২০২৫ | ৩,৬০৮ | ১,৯৭৭ | ১,৩০৩ | ৩৯.৫% | ১২.৮% |
২০২৫ সালে বাংলাদেশে স্পেনের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ঢাকা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,৬০৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৯৭৭টি ভিসা দিয়েছে। ৩৯.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩০.৬%, অর্থাৎ এটি ৯.০ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৭% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩,০৮৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে বাংলাদেশে জমা পড়া আবেদনের ৫৪.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ২৭.৮% থেকে সুইডেনের কনস্যুলেটে ৭৪.৫% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে স্পেনের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৬% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে স্পেন পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
স্পেনের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ
স্পেন
বাংলাদেশ অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্পেনের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা
স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বাংলাদেশ থেকে স্পেনে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
বাংলাদেশি নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন
স্পেনে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বাংলাদেশি নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বাংলাদেশে আবেদন করা যায় ঢাকায় স্পেনের দূতাবাসে, অথবা স্পেনের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে স্পেন।
স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল
স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় বাংলাদেশি নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।
বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ
আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
স্পেনের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ
স্পেনের নাগরিকরা বাংলাদেশে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
স্পেনে যেতে বাংলাদেশিদের কি ভিসা লাগে?
বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
বাংলাদেশে স্পেনের দূতাবাস কোথায়?
স্পেনের দূতাবাস ঢাকায়।
বাংলাদেশে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
স্পেনের নাগরিকরা বাংলাদেশে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
বাংলাদেশি নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?
না। বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।