বাংলাদেশমার্শাল দ্বীপপুঞ্জ

বাংলাদেশিদের জন্য মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

বাংলাদেশি নাগরিকরা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে ঢাকা থেকে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো জেনেভা (সুইজারল্যান্ড, ৭,৭০৫ কিলোমিটার) ও পোর্টল্যান্ড (যুক্তরাষ্ট্র, ১১,৬২৬ কিলোমিটার) শহরে। বাংলাদেশের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জবাংলাদেশ অন-অ্যারাইভাল ভিসা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের ভিসা

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মার্শাল দ্বীপপুঞ্জকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৯ মার্চ, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

বাংলাদেশি নাগরিকরা মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে কত দিন থাকতে পারেন

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

বাংলাদেশি নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই বাংলাদেশি নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে বাংলাদেশ পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে বাংলাদেশিদের কি ভিসা লাগে?

বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

বাংলাদেশে কি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের দূতাবাস আছে?

না। বাংলাদেশে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কোনো দূতাবাস নেই। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়, ঢাকা থেকে ৭,৭০৫ কিলোমিটার দূরে।

বাংলাদেশে যেতে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

বাংলাদেশি নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন?

না। বাংলাদেশি নাগরিকদের আগে থেকে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।