বাহরাইন
মিয়ানমার
বাহরাইনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে বাহরাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
বাহরাইনের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী বাহরাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব১,৬৬৬ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের দূতাবাস, নয়াদিল্লি২,৬৩৪ km
Nyaya Marg 3/50-F, 110021 New Delhi
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স২,৮৩৮ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
দূরত্বের হিসাবে মানামা থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ১,৬৬৬ কিলোমিটার), নয়াদিল্লি (ভারত, ২,৬৩৪ কিলোমিটার) ও এথেন্স (গ্রিস, ২,৮৩৮ কিলোমিটার) শহরে। বাহরাইনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের বাহরাইন ভ্রমণ
মিয়ানমার
বাহরাইন ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বাহরাইনের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
বাহরাইন থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
বাহরাইনের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে বাহরাইনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
বাহরাইনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
বাহরাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই বাহরাইনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে বাহরাইন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
বাহরাইনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও থাইল্যান্ড যেতে বাহরাইনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের বাহরাইন ভ্রমণ
বাহরাইনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে বাহরাইনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে বাহরাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
বাহরাইনে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। বাহরাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, মানামা থেকে ১,৬৬৬ কিলোমিটার দূরে।
বাহরাইনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বাহরাইনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
বাহরাইনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। বাহরাইনের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।