আজারবাইজানগ্রিস

আজারবাইজানের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গ্রিসে যাওয়ার আগে আজারবাইজানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

আজারবাইজানে গ্রিসের মিশন

আজারবাইজানে গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস বাকুতে।

গ্রিস: আজারবাইজানে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২,৪৮১২,৩৪৭১২৩৫.০% ৩০.৩%
২০২৪ ৩,১০২২,৭৫৬২৯০৯.৫% ৪৯.৬%
২০২৫ ৫,২৬৭৫,০৫৮১৫৭৩.০% ৬০.৯%

২০২৫ সালে আজারবাইজানে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বাকু) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৫,২৬৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫,০৫৮টি ভিসা দিয়েছে। ৩.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৯.৫%, অর্থাৎ এটি ৬.৫ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৭০% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩,১০২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে আজারবাইজানে জমা পড়া আবেদনের ৯.৮% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। আজারবাইজানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে আজারবাইজানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের আজারবাইজান ভ্রমণ

গ্রিসআজারবাইজান ই-ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য আজারবাইজানের ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

আজারবাইজান থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

আজারবাইজানের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে আজারবাইজানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

আজারবাইজানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

আজারবাইজানে আবেদন করা যায় বাকুতে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় আজারবাইজানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

আজারবাইজানের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

আলবেনিয়া ও তুরস্ক যেতে আজারবাইজানের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে আজারবাইজানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের আজারবাইজান ভ্রমণ

আজারবাইজানে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে আজারবাইজানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিসে যাওয়ার আগে আজারবাইজানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আজারবাইজানে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস বাকুতে।

আজারবাইজানে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

আজারবাইজানে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

আজারবাইজানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। আজারবাইজানের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।