আর্মেনিয়া
যুক্তরাষ্ট্র
আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · am.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
আর্মেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিশন
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস, ইয়েরেভান
Ամերիկյան փողոց 1, Երևան
আর্মেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ইয়েরেভানে।
আর্মেনিয়ার নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা
| মঞ্জুর করা ভিসা | অর্থবছর ২০২৪ | অর্থবছর ২০২৫ |
|---|---|---|
| ভ্রমণ ও ব্যবসা (B) | ১৫,৭৩০ | ১৪,৭১৫ |
| শিক্ষার্থী (F, M) | ১৯১ | ১৫৩ |
| এক্সচেঞ্জ (J) | ৩৫৩ | ২৫৫ |
| চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি) | ৫৪১ | ৪৫৭ |
| ট্রানজিট ও ক্রু (C, D) | ১৬ | ২৩ |
| কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G) | ৩২০ | ৩২৪ |
| বাগদত্ত (K) | ২৪০ | ৫৫ |
| মোট | ১৭,৩৯১ | ১৫,৯৮২ |
| B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার | ৫৯.৫% | ৫৬.৪% |
অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ১৫,৯৮২টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ৬৩তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৯২%; এরপর চাকরি ও বাণিজ্য চুক্তি (৩%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (১৭,৩৯১) চেয়ে ৮% কম।
অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ৩,৪৪৬টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৪% কম।
ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ আর্মেনিয়ার নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৫৬.৪% (অর্থবছর ২০২৪: ৫৯.৫%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।
এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু আর্মেনিয়ায় মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।
উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র
আর্মেনিয়া ভিসা লাগে না, ১৮০ দিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য আর্মেনিয়ার ভিসা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
আর্মেনিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
আর্মেনিয়ায় আবেদন করা যায় ইয়েরেভানে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।
আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ
কানাডা ও মেক্সিকো যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ
আর্মেনিয়ায় ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
আর্মেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ইয়েরেভানে।
আর্মেনিয়ায় যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
আর্মেনিয়ায় ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?
না। আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।