আর্মেনিয়া
মিয়ানমার
আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী আর্মেনিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব১,২৫৬ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের দূতাবাস, মস্কো১,৮০৫ km
Большая Никитская улица 41 с1, Moscow
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স১,৮১৫ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
দূরত্বের হিসাবে ইয়েরেভান থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ১,২৫৬ কিলোমিটার), মস্কো (রাশিয়া, ১,৮০৫ কিলোমিটার) ও এথেন্স (গ্রিস, ১,৮১৫ কিলোমিটার) শহরে। আর্মেনিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমার
আর্মেনিয়া ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য আর্মেনিয়ার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
আর্মেনিয়া থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
আর্মেনিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে আর্মেনিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের আর্মেনিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ১২০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
আর্মেনিয়ায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। আর্মেনিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, ইয়েরেভান থেকে ১,২৫৬ কিলোমিটার দূরে।
আর্মেনিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের আর্মেনিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়, যা ১২০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য।
আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।