আর্মেনিয়াগ্রিস

আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

আর্মেনিয়ায় গ্রিসের মিশন

আর্মেনিয়ায় গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস ইয়েরেভানে।

গ্রিস: আর্মেনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২১,২৬৭১৭,১২১৪,০৮৬১৯.৩% ৩২.৮%
২০২৪ ২৫,৩৭২২১,৭৪৫৩,৪১১১৩.৬% ৪৩.৬%
২০২৫ ১৮,৯৩২১৪,৭০৮৪,১২৯২১.৯% ৩৬.৪%

২০২৫ সালে আর্মেনিয়ায় গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ইয়েরেভান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৮,৯৩২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৪,৭০৮টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২১.৯%। ২০২৪ সালের ১৩.৬%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৮.৪ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৫% কমেছে (২০২৪ সালে ২৫,৩৭২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে আর্মেনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১০.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। আর্মেনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে আর্মেনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ

গ্রিসআর্মেনিয়া ভিসা লাগে না, ১৮০ দিন গ্রিসের নাগরিকদের জন্য আর্মেনিয়ার ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

গ্রিসে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

আর্মেনিয়ায় আবেদন করা যায় ইয়েরেভানে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় আর্মেনিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

আলবেনিয়া যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ

আর্মেনিয়ায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৮০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আর্মেনিয়ায় গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস ইয়েরেভানে।

আর্মেনিয়ায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

আর্মেনিয়ায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৮০ দিনের বেশি না হয়।

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।