আর্মেনিয়াজার্মানি

আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানিতে যাওয়ার আগে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
২টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · eriwan.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

আর্মেনিয়ায় জার্মানির মিশন

আর্মেনিয়ায় জার্মানির সব মিশন

আর্মেনিয়ায় জার্মানির ২টি মিশন আছে; দূতাবাস ইয়েরেভানে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: গিউমরি।

জার্মানি: আর্মেনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১৩,৩৮৭১২,৩১৩১,০৫৭৭.৯% ৯৩.৬%
২০২৪ ২০,৩৯২১৮,২৫৪২,০৯৬১০.৩% ৭৭.৫%
২০২৫ ২০,৭৪৮১৮,৫৯৩২,০৫২৯.৯% ৫২.২%

২০২৫ সালে আর্মেনিয়ায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ইয়েরেভান) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২০,৭৪৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৮,৫৯৩টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৯.৯%। হারটি ২০২৪ সালের (১০.৩%) প্রায় সমান। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ২০,৩৯২টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে আর্মেনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১০.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল রোমানিয়ার কনস্যুলেটে ০.৯% থেকে গ্রিসের কনস্যুলেটে ২১.৯% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। আর্মেনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে আর্মেনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ

জার্মানিআর্মেনিয়া ভিসা লাগে না, ১৮০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য আর্মেনিয়ার ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

জার্মানিতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

আর্মেনিয়ায় আবেদন করা যায় ইয়েরেভানে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় আর্মেনিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

আর্মেনিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের আর্মেনিয়া ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই আর্মেনিয়ায় যেতে এবং সেখানে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানিতে যাওয়ার আগে আর্মেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আর্মেনিয়ায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস ইয়েরেভানে।

আর্মেনিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই আর্মেনিয়ায় যেতে এবং সেখানে ১৮০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

আর্মেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। আর্মেনিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।