অ্যাঙ্গোলাপোল্যান্ড

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

পোল্যান্ড ভ্রমণে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · gov.pl-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

অ্যাঙ্গোলায় পোল্যান্ডের মিশন

অ্যাঙ্গোলায় পোল্যান্ডের একটি মিশন আছে; দূতাবাস লুয়ান্ডায়।

পোল্যান্ড: অ্যাঙ্গোলায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৮০৬২৭৬৫২৯৬৫.৩% ১৮.৫%
২০২৪ ৫৬৩১৮১৩৭৯৬৭.৪% ২৮.২%
২০২৫ ৬৯০২১৭৪৭২৬৮.৫% ২৯.৫%

২০২৫ সালে অ্যাঙ্গোলায় পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লুয়ান্ডা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৬৯০টি আবেদন পেয়েছে এবং ২১৭টি ভিসা দিয়েছে। ৬৮.৫% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৬৭.৪%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৫৬৩টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে অ্যাঙ্গোলায় জমা পড়া আবেদনের ৪৫.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ইতালির কনস্যুলেটে ২৮.২% থেকে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটে ৭৫.৪% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। অ্যাঙ্গোলায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড নবম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে অ্যাঙ্গোলায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

পোল্যান্ডের নাগরিকদের অ্যাঙ্গোলা ভ্রমণ

পোল্যান্ডঅ্যাঙ্গোলা ভিসা লাগে না, ৩০ দিন পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য অ্যাঙ্গোলার ভিসা

পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

অ্যাঙ্গোলা থেকে পোল্যান্ডে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন

পোল্যান্ডে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

অ্যাঙ্গোলায় আবেদন করা যায় লুয়ান্ডায় পোল্যান্ডের দূতাবাসে, অথবা পোল্যান্ডের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে পোল্যান্ড।

পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল

পোল্যান্ডের দেওয়া শেনজেন ভিসায় অ্যাঙ্গোলার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; পোল্যান্ড যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন পোল্যান্ডের কাছেই করতে হয়।

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, বেলারুশ, ইউক্রেন ও রাশিয়া যেতে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

পোল্যান্ডের নাগরিকদের অ্যাঙ্গোলা ভ্রমণ

অ্যাঙ্গোলায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পোল্যান্ডে যেতে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পোল্যান্ড ভ্রমণে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

অ্যাঙ্গোলায় পোল্যান্ডের দূতাবাস কোথায়?

পোল্যান্ডের দূতাবাস লুয়ান্ডায়।

অ্যাঙ্গোলায় যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

অ্যাঙ্গোলায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?

না। অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের আগে থেকে পোল্যান্ডের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।