আলবেনিয়া
বুলগেরিয়া
আলবেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
আলবেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই বুলগেরিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.bg-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
বুলগেরিয়া: আলবেনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৪ (আংশিক বছর) | ১৯৭ | ১৫৭ | ১২ | ৫.০% | ৯৬.৮% |
| ২০২৫ | ২২৭ | ২০২ | ৯ | ৪.৩% | ৯১.৬% |
২০২৫ সালে আলবেনিয়ায় বুলগেরিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (তিরানা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২২৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ২০২টি ভিসা দিয়েছে। ৪.৩% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৫.০%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৫% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১৯৭টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে আলবেনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৫.৪% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১২.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। আলবেনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বুলগেরিয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। বুলগেরিয়া ৩১ মার্চ ২০২৪ থেকে শেনজেন ভিসা দেওয়া শুরু করে, তাই ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বছরের একটি অংশের। এই পরিসংখ্যানে আলবেনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের আলবেনিয়া ভ্রমণ
বুলগেরিয়া
আলবেনিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন বুলগেরিয়ার নাগরিকদের জন্য আলবেনিয়ার ভিসা
বুলগেরিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
আলবেনিয়া থেকে বুলগেরিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বুলগেরিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৮ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বুলগেরিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুলগেরিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
আলবেনিয়ার নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
আলবেনিয়ার নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। বুলগেরিয়ায় কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
বুলগেরিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
আলবেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া বুলগেরিয়া ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
আলবেনিয়ার নাগরিকদের জন্য বুলগেরিয়ার প্রতিবেশী দেশ
উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, গ্রিস, রোমানিয়া, তুরস্ক ও সার্বিয়া যেতে আলবেনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
বুলগেরিয়ার নাগরিকদের আলবেনিয়া ভ্রমণ
বুলগেরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই আলবেনিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। আলবেনিয়া ও বুলগেরিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বুলগেরিয়ায় যেতে আলবেনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
আলবেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই বুলগেরিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
আলবেনিয়ার নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন?
আলবেনিয়ার নাগরিকরা বুলগেরিয়ায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
আলবেনিয়ায় যেতে বুলগেরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
বুলগেরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই আলবেনিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
আলবেনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বুলগেরিয়ায় যেতে পারেন?
হ্যাঁ, আলবেনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বুলগেরিয়ায় যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।