আফগানিস্তানমিয়ানমার

আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমার ভ্রমণে আফগানিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

আফগানিস্তানের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী আফগানিস্তানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে কাবুল থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো নয়াদিল্লি (ভারত, ১,০০৫ কিলোমিটার), কাঠমান্ডু (নেপাল, ১,৭১৩ কিলোমিটার) ও ঢাকা (বাংলাদেশ, ২,৩৭৫ কিলোমিটার) শহরে। আফগানিস্তানের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

মিয়ানমারের নাগরিকদের আফগানিস্তান ভ্রমণ

মিয়ানমারআফগানিস্তান আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য আফগানিস্তানের ভিসা

মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

আফগানিস্তান থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

আফগানিস্তানের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন

মিয়ানমারে আফগানিস্তানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

আফগানিস্তানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

আফগানিস্তানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই আফগানিস্তানের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে আফগানিস্তান পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ

চীন, লাওস ও বাংলাদেশ যেতে আফগানিস্তানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকদের আফগানিস্তান ভ্রমণ

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া আফগানিস্তানে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মিয়ানমারে যেতে আফগানিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমার ভ্রমণে আফগানিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আফগানিস্তানে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?

না। আফগানিস্তানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ভারতের নয়াদিল্লিতে, কাবুল থেকে ১,০০৫ কিলোমিটার দূরে।

আফগানিস্তানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া আফগানিস্তানে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আফগানিস্তানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?

না। আফগানিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।