কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস

দূতাবাস হাঙ্গেরি কিয়েভ, ইউক্রেন

ঠিকানা
Рейтарська вулиця 33, Kyiv
ইমেইল
mission.kev@mfa.gov.hu
ওয়েবসাইট
kijev.mfa.gov.hu

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

পথ দেখুন ফোন করুন

উৎস: OpenStreetMap · Wikidata · সর্বশেষ পরিবর্তন: ৩ মার্চ, ২০২৩

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ঠিকানা: Рейтарська вулиця 33, Kyiv। হাঙ্গেরিতে যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

ইউক্রেনের ছুটির দিন

  • বড়দিন

    শুক্রবার

  • ইংরেজি নববর্ষ

    শুক্রবার

হাঙ্গেরির ছুটির দিন

  • বড়দিন (Karácsony)

    শুক্রবার

  • সেন্ট স্টিফেনস ডে (Karácsony másnapja)

    শনিবার

ইউক্রেনের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

ইউক্রেনহাঙ্গেরি ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ইউক্রেনের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

হাঙ্গেরিইউক্রেন ভিসা লাগে না, ৯০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য ইউক্রেনের ভিসা

হাঙ্গেরিতে যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

ভিসার পরিসংখ্যান

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪৬২৪২৯৩৩৭.১% ৪৯.৪%

ইউক্রেনে হাঙ্গেরির ভিসা অফিস, ২০২৩

ভিসা অফিসআবেদনপ্রত্যাখ্যানের হার
উঝহরোদ ২,৯৪১১৪.৫%
Berehove ৬০০১০.৮%
কিয়েভ (এই অফিস) ৪৬২৭.১%

২০২৩ সালে কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের কাছে স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪৬২টি আবেদন জমা পড়ে এবং এটি ৪২৯টি ভিসা দেয়। ৩৩টি আবেদনে ভিসা মেলেনি, তাই প্রত্যাখ্যানের হার ৭.১%।

ইউক্রেনে হাঙ্গেরির শেনজেন ভিসা দেওয়া হয় ৩টি জায়গায়; ২০২৩ সালের মোট ৪,০০৩টি আবেদনের মধ্যে ১২% জমা পড়েছে এই অফিসে। অন্য অফিসগুলোর প্রত্যাখ্যানের হার: উঝহরোদ ১৪.৫%, Berehove ১০.৮%; এই দলে কিয়েভের হার সবচেয়ে কম। প্রতিটি অফিস নিজের এলাকার বাসিন্দাদের আবেদন নেয়, তাই হারের পার্থক্য শুধু যাচাই কতটা কড়া তা নয়, কোথায় কারা আবেদন করেন তা-ও দেখায়।

২০২৩ সালে ইউক্রেনের সব শেনজেন কনস্যুলেট মিলে ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৫.১%। এখানে অফিস আছে এমন ১১টি দেশের মধ্যে হাঙ্গেরি সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।

দেওয়া ভিসার মধ্যে মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ ছিল ৪৯.৪%। এই পরিসংখ্যান আবেদনের, মানুষের নয়, এবং এতে এখানে আবেদনকারী সব জাতীয়তার মানুষ আছেন, শুধু ইউক্রেনের নাগরিকদের নয়।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

আশপাশের অন্য মিশন

কিয়েভের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (৭৫)

ইউক্রেনে হাঙ্গেরির অন্য মিশন

ইউক্রেনে হাঙ্গেরির সব মিশন (৪)

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস ইউক্রেনে হাঙ্গেরির ৪টি মিশনের একটি। কনস্যুলেট: উঝহরোদ ও Berehove। অনারারি কনস্যুলেট: ইভানো-ফ্রাঙ্কিভস্ক। উল্টো দিকে, ইউক্রেনের দূতাবাস বুদাপেস্টে।

জেনে রাখুন

ঠিকানা ও যোগাযোগ

ঠিকানা: Рейтарська вулиця 33, Kyiv। কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ফোন নম্বর, ইমেইল ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইট আমাদের কাছে আছে।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইউক্রেন ভ্রমণ

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য হাঙ্গেরির নাগরিকদের ইউক্রেনের ভিসা লাগে না।

হাঙ্গেরির দূতাবাস, কিয়েভ: ছুটির দিন

ইউক্রেনের ছুটির কারণে কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস পরবর্তী যেসব দিনে বন্ধ থাকবে: শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন) এবং শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৭ (ইংরেজি নববর্ষ)। মিশনটি শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Karácsony) দিনেও বন্ধ থাকতে পারে।

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসে যাওয়ার আগে

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের হালনাগাদ প্রক্রিয়া, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট-ব্যবস্থা থাকলে সেটিও, এই পাতায় দেওয়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে দেখে নিন।

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের আশপাশ

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য দেশের ২০টি মিশন আছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ঠিকানা: Рейтарська вулиця 33, Kyiv।

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস কবে বন্ধ থাকে?

কিয়েভে হাঙ্গেরির দূতাবাস ইউক্রেনের সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন), আর সাধারণত হাঙ্গেরির জাতীয় দিবসেও।

হাঙ্গেরিতে যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

হাঙ্গেরিতে যেতে ইউক্রেনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

পরিবর্তনের খবর দিন

এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, হাঙ্গেরি সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।