গ্যাবনদক্ষিণ আফ্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবনের হাইকমিশন

১টি দূতাবাস

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবন প্রতিনিধিত্ব করছে প্রিটোরিয়ায় হাইকমিশন দিয়ে। গ্যাবনে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

গ্যাবনের হাইকমিশন, প্রিটোরিয়া

প্রিটোরিয়ায় গ্যাবনের হাইকমিশনের মাধ্যমে গ্যাবন ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালিত হয়; এর ঠিকানা Francis Baard Street 921, Pretoria। ফোন নম্বর ও ওয়েবসাইট হাইকমিশনের পাতায় আছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা

দক্ষিণ আফ্রিকাগ্যাবন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য গ্যাবনের ভিসা

গ্যাবনদক্ষিণ আফ্রিকা ভিসা লাগে না, ৩০ দিন গ্যাবনের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের গ্যাবনের ভিসা লাগে না।

গ্যাবনে দক্ষিণ আফ্রিকার মিশন

গ্যাবনে দক্ষিণ আফ্রিকার মিশন (১)

উল্টো দিকে, গ্যাবনে দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশন লিব্রেভিলে।

জেনে রাখুন

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবন

সারা বিশ্বে ৩২টি দেশে গ্যাবনের ৪০টি মিশন আছে, যার ১টি দক্ষিণ আফ্রিকায়।

গ্যাবনের নাগরিকদের দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য গ্যাবনের নাগরিকদের দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা লাগে না। দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবনের নাগরিকরা পাসপোর্ট ও জরুরি সহায়তার জন্য গ্যাবনের হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবনের হাইকমিশন কবে বন্ধ থাকে

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবনের হাইকমিশন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে। আসন্ন ছুটি: বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ (পুনর্মিলন দিবস); শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন) এবং শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ (সদিচ্ছা দিবস)। মিশনটি সাধারণত গ্যাবনের কিছু ছুটিতেও বন্ধ থাকে, যেমন শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Božić)।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্যাবনের হাইকমিশন কোথায়?

গ্যাবনের হাইকমিশন প্রিটোরিয়ায়; ঠিকানা: Francis Baard Street 921, Pretoria।

গ্যাবনে যেতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্যাবনে যেতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৩০ দিনের বেশি না হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে গ্যাবনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য গ্যাবনের নাগরিকদের দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা লাগে না।

গ্যাবনে কি দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাস আছে?

হ্যাঁ, দক্ষিণ আফ্রিকার হাইকমিশন লিব্রেভিলে।