কঙ্গো প্রজাতন্ত্র

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দূতাবাস ও কনস্যুলেট

ব্রাজাভিলে দূতাবাস

৩৪টি দেশের মোট ৪১টি মিশন কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কাজ করছে (৩১টি দূতাবাস, ৩টি কনস্যুলেট ও ৭টি অনারারি কনস্যুলেট)। সব ৩১টি দূতাবাস রাজধানী ব্রাজাভিলে। এ ছাড়া পোয়েন্ট-নোয়ার শহরে কনস্যুলেট আছে।

আফ্রিকা

কঙ্গো প্রজাতন্ত্র

Republic of the Congo

রাজধানী
ব্রাজাভিল
জনসংখ্যা
৬৪,৮৪,৪৩৭
মুদ্রা
মধ্য আফ্রিকান [CFA] ফ্র্যাঙ্ক (XAF)
আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড
+242
ভাষা
ফরাসি, কঙ্গো, লিঙ্গালা
  • ৪১মিশন
  • ৩১দূতাবাস
  • ৩কনস্যুলেট
  • ৭অনারারি কনস্যুলেট
ভিসা লাগে না: ২০টি গন্তব্যবিশ্বে ১৭৩তম

মানচিত্র

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে সব মিশন

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের অন্য শহর

ব্রাজাভিলের বাইরে পোয়েন্ট-নোয়ারে ৫টি মিশন আছে।

নথিভুক্ত যোগাযোগের তথ্য

  1. জার্মানি ২
  2. ফ্রান্স ২
  3. যুক্তরাজ্য ২
  4. ভারত ২
  5. ইতালি ২
  6. মালি ২
  7. সুইডেন ২
সব দেখুন (৩৪)

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ৪১টি মিশনের মধ্যে ১১টির ফোন নম্বর ও ৩টির খোলার সময় আমাদের কাছে আছে।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ভিসার নিয়ম

বিশ্বের পাসপোর্টধারীরা কীভাবে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে প্রবেশ করেনমোট ১৯৮

  • ভিসা লাগে না৫
  • অন-অ্যারাইভাল ভিসা১০
  • আগে থেকে ভিসা লাগে১৮৩

ভিসার নিয়ম

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে ভিসা তথ্যে থাকা ১৯৮টি পাসপোর্টের মধ্যে ৫টির ভিসা লাগে না, ১০টির ক্ষেত্রে পৌঁছে ভিসা মেলে ও ১৮৩টির দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসা নিতে হয়।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের পাসপোর্টে ৪৭টি গন্তব্যে আগাম ভিসা ছাড়া যাওয়া যায়, আর ১০১টি দেশের জন্য আগে ভিসা নিতে হয়। ১৯৯টি পাসপোর্টের মধ্যে এটি ১৭৩তম অবস্থানে।

ভিসার পরিসংখ্যান

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শেনজেন ভিসার আবেদন

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২১,৭৭৮১৩,২৫৭৭,৩১৫৩৫.৩% ২২.০%
২০২৪ ২৫,৭৭৪১৪,৯১৬১১,২৩৭৪৩.০% ২৯.৬%
২০২৫ ২৫,৬৯৩১২,৮৯৯১২,২৬৬৪৮.৭% ৩০.৬%

শেনজেন দেশ অনুযায়ী, ২০২৫

দেশআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যানের হার
ফ্রান্স ২৪,০৩৬১২,৫১৮৪৬.৭%
ইতালি ১,৬৫৭৩৮১৭৭.০%

২০২৫ সালে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের শেনজেন কনস্যুলেটগুলো স্বল্পমেয়াদি ভিসার ২৫,৬৯৩টি আবেদন পেয়েছে, এবং ১২,৮৯৯টি ভিসা দিয়েছে। ৪৮.৭% আবেদনে ভিসা মেলেনি (সারা বিশ্বে ১৪.৬%)। ২০২৪ সালে হার ছিল ৪৩.০%, অর্থাৎ এটি ৫.৮ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ২৫,৭৭৪টি আবেদন)।

সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে: ফ্রান্স (২৪,০৩৬) ও ইতালি (১,৬৫৭)।

এই পরিসংখ্যানে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে আবেদনকারী সব জাতীয়তার মানুষ আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)১,৮৫৪৯০৬
শিক্ষার্থী (F, M)৭৪৩৩
এক্সচেঞ্জ (J)২৮১৫
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)১৪১০
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)৮৪
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)৩৬৫৩৬৮
বাগদত্ত (K)৮৬
মোট২,৩৫১১,৩৪২
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৪৮.৮%৬৪.৮%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের ১,৩৪২টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১৫৭তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৬৮%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (২৭%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (২,৩৫১) চেয়ে ৪৩% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের ৭০টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯০% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৬৪.৮% (অর্থবছর ২০২৪: ৪৮.৮%)।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

বিদেশে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মিশন

বিদেশে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস (৩৫)

উল্টো দিকে, ২৭টি দেশে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ৩৫টি মিশন আছে। সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক ফ্রান্স (৫), বেলজিয়াম (২), জার্মানি (২), নিরক্ষীয় গিনি (২) ও যুক্তরাষ্ট্র (২) দেশে।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ছুটির দিন

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ছুটির দিন

  • প্রজাতন্ত্র দিবস (Jour de la République)

    শনিবার

  • বড়দিন (Noël)

    শুক্রবার

  • ইংরেজি নববর্ষ (Jour de l'An)

    শুক্রবার

  • ইস্টার সানডে (Dimanche de Pâques)

    রবিবার

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে বিদেশি মিশনগুলো সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে। আসন্ন ছুটি: শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৬ (প্রজাতন্ত্র দিবস, Jour de la République); শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Noël); শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৭ (ইংরেজি নববর্ষ, Jour de l'An) এবং রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৭ (ইস্টার সানডে, Dimanche de Pâques)। এ ছাড়া প্রতিটি মিশন নিজের দেশের জাতীয় দিবসেও বন্ধ থাকে।

জেনে রাখুন

এক নজরে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ব্রাজাভিল। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের জনসংখ্যা প্রায় ৬৪.৮ লাখ এবং আয়তন ৩,৪২,০০০ বর্গকিলোমিটার। প্রধান ভাষাগুলো হলো ফরাসি, কঙ্গো ও লিঙ্গালা। মুদ্রা মধ্য আফ্রিকান [CFA] ফ্র্যাঙ্ক (XAF), আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড +242।

দূতাবাসগুলো কোথায়

সব ৩১টি দূতাবাস রাজধানী ব্রাজাভিলে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে সবচেয়ে বেশি মিশন যেসব দেশের: জার্মানি (২), ফ্রান্স (২), যুক্তরাজ্য (২), ভারত (২) ও ইতালি (২)।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণের পরামর্শ

কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ নিয়ে বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দূতাবাসগুলো কোথায়?

সব ৩১টি দূতাবাস রাজধানী ব্রাজাভিলে। এ ছাড়া পোয়েন্ট-নোয়ার শহরে কনস্যুলেট আছে।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কয়টি দূতাবাস আছে?

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ৩১টি দূতাবাস আছে। কনস্যুলেট, অনারারি কনস্যুলেট ও অন্যান্য অফিস মিলিয়ে কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে মোট ৪১টি মিশন আছে।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কোন দেশের সবচেয়ে বেশি মিশন আছে?

জার্মানির, ২টি মিশন; এরপর ফ্রান্স (২)।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে কি ভিসা লাগে?

তা আপনার পাসপোর্টের ওপর নির্ভর করে। কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে যেতে ১৯৮টি পাসপোর্টের মধ্যে ৫টির ভিসা লাগে না, ১০টির ক্ষেত্রে পৌঁছে ভিসা মেলে ও ১৮৩টির দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে ভিসা নিতে হয়।

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে দূতাবাসগুলো কবে বন্ধ থাকে?

কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের সরকারি ছুটিতে এবং প্রতিটি দেশের নিজের জাতীয় দিবসে। পরবর্তী ছুটি: শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৬ (প্রজাতন্ত্র দিবস, Jour de la République)।