লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস

দূতাবাস হাঙ্গেরি লিসবন, পর্তুগাল

ঠিকানা
Calçada de Santo Amaro 85, 1349-042 Lisboa
ওয়েবসাইট
lisszabon.mfa.gov.hu
আজ · বন্ধ
পথ দেখুন ফোন করুন

উৎস: OpenStreetMap · Wikidata · সর্বশেষ পরিবর্তন: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ঠিকানা: Calçada de Santo Amaro 85, 1349-042 Lisboa। ইউরোপের অবাধ চলাচলের নিয়মে হাঙ্গেরিতে যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে না; বৈধ পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েই তাঁরা সেখানে ভ্রমণ করতে, থাকতে ও কাজ করতে পারেন।

হাঙ্গেরির দূতাবাস, লিসবন: খোলার সময়

রবিবার বন্ধ
সোমবার ০৯:০০–১২:০০
মঙ্গলবার বন্ধ
বুধবার ০৯:০০–১২:০০
বৃহস্পতিবার বন্ধ
শুক্রবার ০৯:০০–১২:০০
শনিবার বন্ধ

আসন্ন ছুটি

পর্তুগালের ছুটির দিন

  • স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবস (Restauração da Independência)

    মঙ্গলবার

  • নিষ্কলঙ্ক গর্ভধারণ পর্ব (Imaculada Conceição)

    মঙ্গলবার

হাঙ্গেরির ছুটির দিন

  • বড়দিন (Karácsony)

    শুক্রবার

  • সেন্ট স্টিফেনস ডে (Karácsony másnapja)

    শনিবার

লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস সপ্তাহে ৩ দিন, ০৯:০০ থেকে ১২:০০ খোলা থাকে।

পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

পর্তুগালহাঙ্গেরি ভিসা লাগে না পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

হাঙ্গেরিপর্তুগাল ভিসা লাগে না হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য পর্তুগালের ভিসা

ইউরোপের অবাধ চলাচলের নিয়মে হাঙ্গেরিতে যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে না; বৈধ পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েই তাঁরা সেখানে ভ্রমণ করতে, থাকতে ও কাজ করতে পারেন।

ভিসার পরিসংখ্যান

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হার
২০২৩ ১১০–
২০২৫ ২১০–

২০২৫ সালের হিসাব: লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২টি আবেদন পেয়েছে এবং ১টি ভিসা দিয়েছে। ২০২৩ সালের তুলনায় আবেদন ১০০% বেড়েছে (২০২৩ সালে একটি আবেদন)।

২০২৫ সালে পর্তুগালের সব শেনজেন কনস্যুলেট মিলে ১.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৩.০%। এখানে অফিস আছে এমন ৭টি দেশের মধ্যে হাঙ্গেরি পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

এই পরিসংখ্যান আবেদনের, মানুষের নয়, এবং এতে এখানে আবেদনকারী সব জাতীয়তার মানুষ আছেন, শুধু পর্তুগালের নাগরিকদের নয়।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

আশপাশের অন্য মিশন

লিসবনের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (৮৯)

পর্তুগালে হাঙ্গেরির অন্য মিশন

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস পর্তুগালে হাঙ্গেরির একমাত্র নথিভুক্ত মিশন। উল্টো দিকে, পর্তুগালের দূতাবাস বুদাপেস্টে।

    জেনে রাখুন

    ঠিকানা ও যোগাযোগ

    ঠিকানা: Calçada de Santo Amaro 85, 1349-042 Lisboa। লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ফোন নম্বর ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইট আমাদের কাছে আছে।

    হাঙ্গেরির দূতাবাস, লিসবন: ছুটির দিন

    মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৬ (স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবস, Restauração da Independência) এবং মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৬ (নিষ্কলঙ্ক গর্ভধারণ পর্ব, Imaculada Conceição) তারিখে লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস বন্ধ থাকার সম্ভাবনা আছে। হাঙ্গেরির ছুটি শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন, Karácsony) দিনেও মিশনটি সাধারণত বন্ধ থাকে।

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসে যাওয়ার আগে

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের হালনাগাদ প্রক্রিয়া, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট-ব্যবস্থা থাকলে সেটিও, এই পাতায় দেওয়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে দেখে নিন।

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের আশপাশ

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য একটি দেশের একটি মিশন আছে।

    সচরাচর জিজ্ঞাসা

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের ঠিকানা: Calçada de Santo Amaro 85, 1349-042 Lisboa।

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস কখন খোলা থাকে?

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস সপ্তাহে ৩ দিন, ০৯:০০ থেকে ১২:০০ খোলা থাকে।

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস কি শনিবার খোলা থাকে?

    না, লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাসের নথিভুক্ত সময়ে শনিবার নেই।

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস কবে বন্ধ থাকে?

    লিসবনে হাঙ্গেরির দূতাবাস পর্তুগালের সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৬ (স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার দিবস, Restauração da Independência), আর সাধারণত হাঙ্গেরির জাতীয় দিবসেও।

    হাঙ্গেরিতে যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

    ইউরোপের অবাধ চলাচলের নিয়মে হাঙ্গেরিতে যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে না; বৈধ পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েই তাঁরা সেখানে ভ্রমণ করতে, থাকতে ও কাজ করতে পারেন।

    পরিবর্তনের খবর দিন

    এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, হাঙ্গেরি সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।