কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিস

কনস্যুলার অফিস স্লোভাকিয়া কাঠমান্ডু, নেপাল

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

উৎস: OpenStreetMap · সর্বশেষ পরিবর্তন: ১০ মে, ২০২১

কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিস এই শহর ও আশপাশের এলাকার জন্য। স্লোভাকিয়া ভ্রমণে নেপালের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

স্লোভাকিয়ার ছুটির দিন

  • বড়দিনের আগের দিন (Štedrý deň)

    বৃহস্পতিবার

  • বড়দিন (Prvý sviatok vianočný)

    শুক্রবার

নেপালের নাগরিকদের জন্য স্লোভাকিয়ার ভিসা

নেপালস্লোভাকিয়া আগে থেকে ভিসা লাগে নেপালের নাগরিকদের জন্য স্লোভাকিয়ার ভিসা

স্লোভাকিয়ানেপাল অন-অ্যারাইভাল ভিসা স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা

স্লোভাকিয়া ভ্রমণে নেপালের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। ভিসার আবেদন মিশনেই হয় নাকি ভিসা আবেদন কেন্দ্রে, তা কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিসে জিজ্ঞেস করে নিন।

আশপাশের অন্য মিশন

কাঠমান্ডুর সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (৪৩)

নেপালে স্লোভাকিয়ার অন্য মিশন

    কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিস নেপালে স্লোভাকিয়ার একমাত্র নথিভুক্ত মিশন। নেপালে স্লোভাকিয়ার কোনো দূতাবাস নথিভুক্ত নেই; নেপাল সম্ভবত অন্য কোনো দেশ থেকে দেখা হয়। স্লোভাকিয়ায় নেপালের কোনো মিশন নথিভুক্ত নেই।

    জেনে রাখুন

    কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিস সম্পর্কে

    কনস্যুলেটের কাজ কনস্যুলার: নিজের নাগরিকদের পাসপোর্ট ও কাগজপত্র, আর অনেক সময় আগত মানুষদের ভিসাও।

    স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের নেপাল ভ্রমণ

    নেপালে পৌঁছানোর পর স্লোভাকিয়ার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ১৫০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

    কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিসের আশপাশ

    কাঠমান্ডুতে স্লোভাকিয়ার কনস্যুলার অফিসের ১ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে অন্য দেশের ৫টি মিশন আছে।

    সচরাচর জিজ্ঞাসা

    স্লোভাকিয়ায় যেতে নেপালের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

    স্লোভাকিয়া ভ্রমণে নেপালের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

    পরিবর্তনের খবর দিন

    এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, স্লোভাকিয়া সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।