পোর্ট লুইসে জার্মানির অনারারি কনস্যুলেট

অনারারি কনস্যুলেট জার্মানি পোর্ট লুইস, মরিশাস

ইমেইল
goodlands@hk-diplo.de

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

উৎস: OpenStreetMap · সর্বশেষ পরিবর্তন: ১৯ এপ্রিল, ২০১৯

পোর্ট লুইসে জার্মানির অনারারি কনস্যুলেট পোর্ট লুইস ও আশপাশের এলাকার জন্য। অনারারি কনস্যুলেট জরুরি পরিস্থিতি ও সাধারণ সত্যায়নে সাহায্য করে, তবে ভিসা বা পাসপোর্ট দেয় না। মরিশাসের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

জার্মানির ছুটির দিন

  • বড়দিন (Erster Weihnachtstag)

    শুক্রবার

  • সেন্ট স্টিফেনস ডে (Zweiter Weihnachtstag)

    শনিবার

মরিশাসের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

মরিশাসজার্মানি ভিসা লাগে না, ৯০ দিন মরিশাসের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

জার্মানিমরিশাস ভিসা লাগে না, ৯০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য মরিশাসের ভিসা

মরিশাসের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

মানচিত্র

পোর্ট লুইসের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (১২)

মরিশাসে জার্মানির অন্য মিশন

পোর্ট লুইসে জার্মানির অনারারি কনস্যুলেটের বাইরে মরিশাসে জার্মানির আরও একটি মিশন আছে। মরিশাসে জার্মানির কোনো দূতাবাস নথিভুক্ত নেই; মরিশাস সম্ভবত অন্য কোনো দেশ থেকে দেখা হয়। অনারারি কনস্যুলেট: Goodlands। উল্টো দিকে, জার্মানিতে মরিশাসের ৫টি মিশন আছে; দূতাবাস বার্লিনে।

জেনে রাখুন

ঠিকানা ও যোগাযোগ

পোর্ট লুইসে জার্মানির অনারারি কনস্যুলেটের ইমেইল আমাদের কাছে আছে।

জার্মানির নাগরিকদের মরিশাস ভ্রমণ

মরিশাসে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে জার্মানির নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে মরিশাসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মরিশাসের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

পোর্ট লুইসে জার্মানির অনারারি কনস্যুলেট কি ভিসা বা পাসপোর্ট দেয়?

সাধারণত না। ভিসা ও পাসপোর্টের জন্য পোর্ট লুইসের বাসিন্দাদের জার্মানির দূতাবাসের বা জার্মানির কোনো পেশাদার কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

পরিবর্তনের খবর দিন

এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, জার্মানি সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।