ফুকুওকায় কনস্যুলেট

  • ১১টি মিশন
  • ১০টি দেশ
  • বেশির ভাগ দূতাবাস টোকিওতে

ফুকুওকায় দূতাবাস ও কনস্যুলেট

ফুকুওকা ১০টি দেশের ১১টি মিশনের শহর (৫টি কনস্যুলেট জেনারেল, ২টি কনস্যুলেট ও ৪টি অনারারি কনস্যুলেট)। জাপানে দূতাবাসগুলো টোকিওতে, এখান থেকে প্রায় ৮৭৯ কিলোমিটার দূরে।

ফুকুওকায় ছুটির দিন

জাপানের ছুটির দিন

  • শ্রম কৃতজ্ঞতা দিবস

    সোমবার

  • ইংরেজি নববর্ষ

    শুক্রবার

  • প্রাপ্তবয়স্ক দিবস

    সোমবার

ফুকুওকায় মিশনগুলো জাপানের সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে। আসন্ন ছুটি: সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৬ (শ্রম কৃতজ্ঞতা দিবস); শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৭ (ইংরেজি নববর্ষ) এবং সোমবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৭ (প্রাপ্তবয়স্ক দিবস)।

জাপানের অন্য শহর

জেনে রাখুন

ফুকুওকায় বিদেশি মিশন

ফুকুওকায় যেসব দেশের মিশন আছে, তার মধ্যে রয়েছে কানাডা, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ড।

ফুকুওকায় মিশনের ধরন

ধরন অনুযায়ী ফুকুওকায় আছে ৫টি কনস্যুলেট জেনারেল, ২টি কনস্যুলেট ও ৪টি অনারারি কনস্যুলেট। ফুকুওকার সব ৪টি অনারারি কনস্যুলেট শুধু সীমিত সহায়তা দিতে পারে। অনারারি কনস্যুলেট জরুরি পরিস্থিতি ও সাধারণ সত্যায়নে সাহায্য করে, তবে ভিসা বা পাসপোর্ট দেয় না।

ফুকুওকায় খোলার সময়

ফুকুওকার ১১টির মধ্যে ১টি মিশনের খোলার সময় জানা আছে। মিশনটি ০৯:০০-এ খোলে এবং ১৭:০০-এ বন্ধ হয়। মিশনটি শনিবার খোলা থাকে না।

জাপানের অন্য শহর

জাপানের যেসব শহরে বিদেশি মিশন আছে: টোকিও (১৫১), ওসাকা (২২), নাগোয়া (৮), সাপোরো (৮), কোবে (৪) ও হিরোশিমা (৪)।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফুকুওকায় কয়টি দূতাবাস ও কনস্যুলেট আছে?

ফুকুওকায় ১১টি মিশন আছে, যার মধ্যে ৫টি কনস্যুলেট জেনারেল, ২টি কনস্যুলেট ও ৪টি অনারারি কনস্যুলেট।

ফুকুওকায় কোন কোন দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেট আছে?

ফুকুওকায় ১০টি দেশের মিশন আছে, যেমন কানাডা, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও থাইল্যান্ড।

ফুকুওকায় কি দূতাবাস আছে?

না। জাপানে দূতাবাসগুলো টোকিওতে, এখান থেকে প্রায় ৮৭৯ কিলোমিটার দূরে; ফুকুওকায় আছে কনস্যুলেট ও অনারারি কনস্যুলেট।

ফুকুওকায় কনস্যুলেটগুলো কি শনিবার খোলা থাকে?

সাধারণত না: ফুকুওকায় যে ১টি মিশনের সময় জানা আছে, তার কোনোটির শনিবার খোলার সময় নেই।

ফুকুওকায় মিশনগুলো কবে বন্ধ থাকে?

ফুকুওকায় মিশনগুলো জাপানের সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৬ (শ্রম কৃতজ্ঞতা দিবস), এবং প্রতিটি দেশের নিজের জাতীয় দিবসেও।