আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস

দূতাবাস গ্রিস আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া

ফোন
+2511 4654911
ইমেইল
gremb.addis@mfa.gr
ওয়েবসাইট
mfa.gr
ফ্যাক্স
+251 11 466 5588

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

উৎস: OpenStreetMap · Wikidata · সর্বশেষ পরিবর্তন: ৮ নভেম্বর, ২০২১

গ্রিসের দূতাবাস আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত, যা ইথিওপিয়ার রাজধানী। ইথিওপিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

ইথিওপিয়ার ছুটির দিন

  • অর্থোডক্স বড়দিন

    বৃহস্পতিবার

  • অর্থোডক্স এপিফানি

    মঙ্গলবার

গ্রিসের ছুটির দিন

  • বড়দিন

    শুক্রবার

  • সেন্ট স্টিফেনস ডে

    শনিবার

ইথিওপিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

ইথিওপিয়াগ্রিস আগে থেকে ভিসা লাগে ইথিওপিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

গ্রিসইথিওপিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য ইথিওপিয়ার ভিসা

ইথিওপিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। আবেদন সরাসরি এখানে হয় নাকি ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে, তা আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে লেখা থাকে।

ভিসার পরিসংখ্যান

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৭১৪৫৭৭৯৩১৩.৯% ৩২.৯%
২০২৪ ৯৪৫৯০৪২৫২.৭% ১৬.৯%
২০২৫ ১,৬৮৮১,৪১৬২৩২১৪.১% ৮.৩%

২০২৫ সালের হিসাব: আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৬৮৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৪১৬টি ভিসা দিয়েছে। ২৩২টি আবেদনে ভিসা মেলেনি, তাই প্রত্যাখ্যানের হার ১৪.১%। ২০২৪ সালের ২.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১১.৪ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৭৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৯৪৫টি আবেদন)।

২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২.৭% (২০২৪) থেকে ১৪.১% (২০২৫)।

২০২৫ সালে ইথিওপিয়ার সব শেনজেন কনস্যুলেট মিলে ৩৪.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে গ্রিসের প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৪.৫%। এখানে অফিস আছে এমন ১৫টি দেশের মধ্যে গ্রিস ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

এখানে দেওয়া ভিসার ৮.৩% ছিল মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসা, যা দিয়ে একাধিকবার যাতায়াত করা যায়। এই পরিসংখ্যান আবেদনের, মানুষের নয়, এবং এতে এখানে আবেদনকারী সব জাতীয়তার মানুষ আছেন, শুধু ইথিওপিয়ার নাগরিকদের নয়।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

আশপাশের অন্য মিশন

আদ্দিস আবাবার সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (৮১)

ইথিওপিয়ায় গ্রিসের অন্য মিশন

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস ইথিওপিয়ায় গ্রিসের একমাত্র নথিভুক্ত মিশন। গ্রিসে ইথিওপিয়ার কোনো মিশন নথিভুক্ত নেই।

    জেনে রাখুন

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস সম্পর্কে

    অফিশিয়াল তালিকায় এই মিশনের নাম: গ্রিস প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, আদ্দিস আবাবা।

    ঠিকানা ও যোগাযোগ

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসের ফোন নম্বর, ইমেইল, ফ্যাক্স নম্বর ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইট আমাদের কাছে আছে।

    গ্রিসের নাগরিকদের ইথিওপিয়া ভ্রমণ

    ইথিওপিয়ায় পৌঁছানোর পর গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

    গ্রিসের দূতাবাস, আদ্দিস আবাবা: ছুটির দিন

    ইথিওপিয়ার ছুটির কারণে আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস পরবর্তী যেসব দিনে বন্ধ থাকবে: বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৭ (অর্থোডক্স বড়দিন) এবং মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৭ (অর্থোডক্স এপিফানি)। মিশনটি শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৬ (বড়দিন) দিনেও বন্ধ থাকতে পারে।

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসে যাওয়ার আগে

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসের হালনাগাদ প্রক্রিয়া, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট-ব্যবস্থা থাকলে সেটিও, এই পাতায় দেওয়া অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের লিংকে দেখে নিন।

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসের আশপাশ

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাসের ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য দেশের ২টি মিশন আছে।

    সচরাচর জিজ্ঞাসা

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস কবে বন্ধ থাকে?

    আদ্দিস আবাবায় গ্রিসের দূতাবাস ইথিওপিয়ার সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৭ (অর্থোডক্স বড়দিন), আর সাধারণত গ্রিসের জাতীয় দিবসেও।

    গ্রিসে যেতে ইথিওপিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

    ইথিওপিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

    পরিবর্তনের খবর দিন

    এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, গ্রিস সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।