বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাস

দূতাবাস লাওস বেইজিং, চীন

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

উৎস: OpenStreetMap · Wikidata · সর্বশেষ পরিবর্তন: ৬ জানুয়ারি, ২০২২

লাওসের দূতাবাস বেইজিংয়ে অবস্থিত, যা চীনের রাজধানী। ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য দেশের আরও ৬৯টি মিশন আছে।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

চীনের ছুটির দিন

  • ইংরেজি নববর্ষ

    শুক্রবার

  • চীনা নববর্ষ

    শনিবার

চীনের নাগরিকদের জন্য লাওসের ভিসা

চীনলাওস অন-অ্যারাইভাল ভিসা চীনের নাগরিকদের জন্য লাওসের ভিসা

লাওসচীন আগে থেকে ভিসা লাগে লাওসের নাগরিকদের জন্য চীনের ভিসা

লাওসে পৌঁছানোর পর চীনের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

আশপাশের অন্য মিশন

বেইজিংয়ের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (১১৬)

চীনে লাওসের অন্য মিশন

চীনে লাওসের সব মিশন (৪)

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাসের বাইরে চীনে লাওসের আরও ৩টি মিশন আছে। কনস্যুলেট: নানিং, কুনমিং ও চাংশা। উল্টো দিকে, লাওসে চীনের ২টি মিশন আছে; দূতাবাস ভিয়েনতিয়েনে।

জেনে রাখুন

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাস সম্পর্কে

অফিশিয়াল তালিকায় এই মিশনের নাম: লাও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, বেইজিং।

লাওসের নাগরিকদের চীন ভ্রমণ

লাওসের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া চীনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

লাওসের দূতাবাস, বেইজিং: ছুটির দিন

চীনের ছুটির কারণে বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাস পরবর্তী যেসব দিনে বন্ধ থাকবে: শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৭ (ইংরেজি নববর্ষ) এবং শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ (চীনা নববর্ষ)।

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাসের আশপাশ

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাসের ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য দেশের ৬৯টি মিশন আছে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাস কবে বন্ধ থাকে?

বেইজিংয়ে লাওসের দূতাবাস চীনের সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি শুক্রবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৭ (ইংরেজি নববর্ষ), আর সাধারণত লাওসের জাতীয় দিবসেও।

লাওসে যেতে চীনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

লাওসে পৌঁছানোর পর চীনের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

পরিবর্তনের খবর দিন

এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, লাওস সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।