নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাস

দূতাবাস মিয়ানমার নমপেন, কম্বোডিয়া

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

উৎস: OpenStreetMap · সর্বশেষ পরিবর্তন: ৮ জানুয়ারি, ২০২২

মিয়ানমারের দূতাবাস নমপেনে অবস্থিত, যা কম্বোডিয়ার রাজধানী। মিয়ানমারে যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৪ দিনের বেশি না হয়।

খোলার সময়

খোলার সময় জানা নেই। বেশির ভাগ দূতাবাস ও কনস্যুলেট আগে থেকে নেওয়া অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া দর্শনার্থী গ্রহণ করে না।

আসন্ন ছুটি

কম্বোডিয়ার ছুটির দিন

  • স্বাধীনতা দিবস

    সোমবার

  • জল উৎসব

    সোমবার

কম্বোডিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

কম্বোডিয়ামিয়ানমার ভিসা লাগে না, ১৪ দিন কম্বোডিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

মিয়ানমারকম্বোডিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য কম্বোডিয়ার ভিসা

মিয়ানমারে যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৪ দিনের বেশি না হয়।

আশপাশের অন্য মিশন

নমপেনের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেট (৩৫)

কম্বোডিয়ায় মিয়ানমারের অন্য মিশন

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাস কম্বোডিয়ায় মিয়ানমারের একমাত্র নথিভুক্ত মিশন। উল্টো দিকে, কম্বোডিয়ার দূতাবাস ইয়াঙ্গুনে।

    জেনে রাখুন

    মিয়ানমারের নাগরিকদের কম্বোডিয়া ভ্রমণ

    মিয়ানমারের নাগরিকরা কম্বোডিয়ায় পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

    মিয়ানমারের দূতাবাস, নমপেন: ছুটির দিন

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাস কম্বোডিয়ার সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে; আসন্ন ছুটি: সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৬ (স্বাধীনতা দিবস) এবং সোমবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৬ (জল উৎসব)।

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাসের আশপাশ

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাসের ১ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য দেশের ১৪টি মিশন আছে।

    সচরাচর জিজ্ঞাসা

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাস কবে বন্ধ থাকে?

    নমপেনে মিয়ানমারের দূতাবাস কম্বোডিয়ার সরকারি ছুটিতে বন্ধ থাকে, পরবর্তী ছুটি সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৬ (স্বাধীনতা দিবস), আর সাধারণত মিয়ানমারের জাতীয় দিবসেও।

    মিয়ানমারে যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

    মিয়ানমারে যেতে কম্বোডিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৪ দিনের বেশি না হয়।

    পরিবর্তনের খবর দিন

    এটি একটি স্বাধীন তথ্যসূত্র, মিয়ানমার সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট নয়।